Thursday, July 24, 2014

কেন আর্টিকেল লিখবেন ?

আর্টিকেল কেন লিখবেন ?আপনি আপনার নিজের স্বার্থের জন্য আর্টিকেল লিখবেন।আপনি ভাবতে পারেন আর্টিকেল লিখে আমার আবার কিসের স্বার্থ ?আছে ,আপনার  স্বার্থ অবশ্যই আছে।আচ্ছা আপনাকে যদি বলা হয় আপনি কেন ব্লগ পরেন ? আপনি বলবেন শিখার জন্য । আচ্ছা শিখে আপনি কি করবেন যদি নিজে কিছু করতে না পারেন। আপনাকে যদি কেও না চেনে,না জানে তাহলে আপনি তেমন বেশি কাজ পাবেন না। আমি আরেকটু ক্লিয়ার করি। মনে করুন “রাসেল” নামে এক ভদ্র লোক ওয়েব ডিজাইন করেন।কিন্তু কেও জানে না যে রাসেল একজন ওয়েব ডিজাইনার ।তাহলে রাসেলের কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা খুব ই কম।সবাই যদি জানত রাসেল একজন ওয়েব ডিজাইনার। তাহলে তার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকত ।রাসেল কিভাবে মানুষদের জানাতে পারে ?সে আর্টিকেল লিখে মানুষদের জানাতে পারে। আপনি আর্টিকেল লিখবেন আপনার নিজের ব্র্যান্ড করার জন্য।   article personal brand

আর্টিকেল লিখে নিজের ব্র্যান্ড করবেন কিভাবে ?

উপরের রাসেল কে দিয়েই ক্লিয়ার করি।রাসেল যদি ওয়েব ডিজাইন এর উপর আর্টিকেল লিখে এবং ভালো লিখে ।ব্লগে যারা তার আর্টিকেল পড়বে,তারা ভাববে রাসেল যেহেতু ওয়েব ডিজাইন এর উপর ভালো লিখেছে। তাহলে রাসেল অবশ্যই একজন ভালো ওয়েব ডিজাইনার।তখন যারা রাসেলেরে আর্টিকেল পরেছে ,তাদের কারো যদি ওয়েব ডিজাইন  করতে ইচ্ছে হয়, তাহলে তারা রাসেল কে কল করবে। ব্যাস , রাসেল আর্টিকেল লিখার মাধ্যমে তার কাজ পেয়ে গেল।

আর্টিকেল অবশ্যই আপনার কাজের সাথে মিল থাকতে হবে

article writing    আপনি একজন টিচার। কিন্তু আপনি আর্টিকেল লিখলেন “কিভাবে মাছ চাষ করবেন” এই শিরনামে।এবং আপনার আর্টিকেলটি অনেক পপুলার হল।সবাই জানলো আপনি মাছ চাষ ভালো জানেন।এখন কেও যদি মাছ চাষ করতে চায়,তাহলে আপনার কাছে হেল্প চাইবে।দেখা যাবে আপনি তাকে হেল্প করতে পারলেন না।কারন আপনি একজন টিচার। আপনি আর্টিকেল লিখলেন কিন্তু আপনার আর্টিকেল আপনার কোন উপকারে আসল  না।তাহলে সেই আর্টিকেল লিখা থেকে বিরত থাকুন। আপনি যদি আর্টিকেল লিখতেন“কিভাবে দ্রুত গণিত শিখা যায়” এই শিরনামে।তাহলে যাদের গনিতে প্রবলেম আছে,তারা আপনার হেল্প নিতো। আপনারও লাভ হত, যারা হেল্প নিতো তারাও লাভবান হত। কারন তারা গনিত শিখতে পারত। 

Monday, July 14, 2014

জার্মানি জিতল ২৪ বছর পর ।

২৪ বছর পর বিশ্বকাপ-২০১৪ এর স্বাদ পেল জার্মানি।









ফাইনালে আর্জেন্টিনা কে হারিয়ে,মেসির সব সপ্ন ভঙ্গ করে শেষ হাসি হাসল  জার্মানি।


টুর্নামেন্ট এ সেরা খেলোয়াড় হন লিওনেল মেসি । তিনি পান গোল্ডেন বল ।
টুর্নামেন্ট এর দ্বিতীয় সেরা হন জার্মানির থমাস মুলার ।

গোল্ডেন বুট জিতেন কলম্বিয়ার রদ্রিগেজ ।


বিয়ে করে নাই...............

১ম বন্ধুঃ দোস্ত
আমি যে মেয়েটারে ভালবাসতাম
সে পরে আর
আমারে বিয়ে করে নাই !!!
২য় বন্ধুঃ আয় হায় কেন ???
তুই বলস নাই যে তোর চাচা কোটিপতি ???
১ম বন্ধুঃ হ্যা বলসিলাম তো।
২য় বন্ধুঃ তাহলে ???
↓
↓
↓
↓
↓
১ম বন্ধুঃ সে জন্যই ও এখন
আমার
চাচী
↓
↓
↓
↓
↓
↓
↓
↓
↓
২য় বন্ধুঃ তোর কপাল তো ভাল
যে তুই বলোস
নাই তোর বাবা কোটিপতি !!

Saturday, July 12, 2014

আর্জেন্টিনা সমর্থকের কান্ড!


ঢাকা : গোপাল চন্দ্র শীল। আর্জেন্টিনার ঘোরতর ভক্ত। পেশায় একজন নরসুন্দর। আর্জেন্টিনার সাফল্যে আত্মহারা সে। এ আনন্দ উদ্যাপনে তার ইচ্ছা এলাকার মানুষকে বড় কোন এক উপহার দেবেন। কিন্তু তিনি তো ধনী নন। সেলুনে চুল ছেঁটে সংসার চালান।

আর্থিক অসঙ্গতি থাকলেও এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিলেন তিনি। তার এলাকায় ৩ দিন ধরে বিনা পয়সায় প্রায় তিনশ’ গরীব ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের চুল ছেঁটেছেন। এখনও ছাঁটছেন। টাকা ছাড়া চুল ছাঁটছেন প্রাপ্তবয়ষ্কদেরও। তবে শিশুদের ভিড় থাকায় বড়রা সুযোগ পাচ্ছেন কম। ঘটনাটি রাজধানীর পশ্চিম আগারগাঁও এলাকার মমতাজ মসজিদ সংলগ্ন এলাকায়।

গোপাল উদ্যোগ দিয়েছেন, ১৩ জুলাই রোববার রাতে জার্মানি বনাম আর্জেন্টিনার ফাইনালে তার প্রিয় দল আর্জেন্টিনা যদি চ্যাম্পিয়ন হয় তবে অন্তত আরও কয়েকদিন তার সেলুনে বিনা পয়সায় শিশুদের চুল ছাঁটবেন।

প্রথমে সাধারণ মানুষ গোপালের এ উদ্যোগকে নিছক পাগলামি মনে করলেও পরে তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। বাহবা দিচ্ছেন আর্জেন্টিনার অপর সমর্থকরা।

গোপালের সেলুনে শিশুদের ভিড়। তারা চুল কাটার জন্য গোপালের দোকানে সকাল থেকে অপেক্ষা করছে। কারও গায়ে আর্জেন্টিনার আকাশি সাদা জার্সি। কারও গায়ে ব্রাজিলের হলুদ সবুজ জার্সি।

শিশুরা তাদের প্রিয় খেলোয়াড়দের মডেলে চুল ছাঁটতে চাইছে। কেউ চাইছে মেসি কাটিং, কেউবা নেইমার কাটিং, আবার কেউ ক্লোসা কাটিং। গোপালও সেই অনুযায়ী ছাঁট দিচ্ছেন। না হলেও ক্ষতি নেই। বিনা পয়সায় কিছু পাওয়ার আনন্দই আলাদা।

সেলুনে একজন শিশুদের সিরিয়াল লিখে যাচ্ছেন। চুল ছাঁটা শেষ হলে শিশুদের হাতে কালি দিয়ে একটি চিহ্ন একে দিচ্ছেন। প্রত্যেক শিশুর হাতে একটি করে চকলেট গুঁজে দিচ্ছেন।

গোপাল চন্দ্র শীলের (৩৮) বাড়ি ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া থানার আনলবুনিয়া গ্রামে। পেশার ঢাকায় এসেছিলেন ১৯৮৯ সালে। তার স্ত্রী অনিতা রানী শীল এবং দুই মেয়ে সোনালি ও রূপালি। এই নিয়ে তার ছোট সংসার।

গোপাল ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত মেক্সিকো বিশ্বকাপে ম্যারাডোনা ও আর্জেন্টিনার খেলা দেখে ভক্ত হয়েছিলেন। গোপাল জানান, ১৯৯০ সালের ইতালিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানি আজেন্টিনাকে হারিয়েছিল। সেদিন কেঁদেছিলাম।

১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০২, ২০০৬ ও ২০১০-এর ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে খালিহাতে ফিরতে হয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষার প্রহর যেন আর ফুরোয় না। কেটে গেছে ২ যুগ। পেরিয়ে গেছে পাঁচটি বিশ্বকাপের আসর। কিন্তু আর্জেন্টিনার অপেক্ষার পালা এবার শেষ।

আর্জেন্টিনা ফাইনালে ওঠেছে সেই খুশিতে আত্মহারা গোপাল নিয়েছেন এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। তিনি বলেন, দীর্ঘ দিন পর আর্জেন্টিনা ফাইনালে উঠেছে। ৯ জুলাই খেলার দিন মনে মনে ভেবেছিলাম যদি আমার প্রিয় দল জেতে তাহলে একটা কিছু করবো। কিন্তু কি করবো তা ভেবে পাচ্ছিলাম না।

গোপাল বলেন, প্রিয় আর্জেন্টিনা জিতল। আমার তেমন আর্থিক সামর্থ্য নেই। ক্ষৌরকর্মই একমাত্র ভরসা। এর সামান্য আয়ে সংসার চলে। ভালো কিছু করতে গেলে প্রচুর টাকার দরকার। শেষে এলাকাবাসী কয়েকজনের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিলাম, আমি ক্ষৌরকার তাই এই কাজ দিয়েই স্মরণীয় কিছু করা যাবে। সেই চিন্তা থেকে খেলা শেষে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের চুল কাটা শুরু করলাম। এখনও চালিয়ে যাচ্ছি।

গোপাল জানান, গত দু’দিনে কয়েকশ শিশু ও সাধারণ মানুষের বিনা পয়সায় চুল কেটেছি। এতে আমার কোন ক্লান্তি নেই। এলাকার শিশুরা আমাকে খুব পছন্দ করে। সবাই গোপাল মামা বলে ডাকে। এজন্য আমার কাছে তারা আসে।

এলাকাবাসী জানায়, গোপাল চন্দ্র শীল আগারগাঁও এলাকায় খুবই জনপ্রিয়। প্রায় ২১ বছর ধরে পশ্চিম আগারগাঁও মমতাজ মসজিদের পাশে কাজ করছেন। শিশু থেকে বুড়ো সবাই তাকে পছন্দ করে। শিশুদের চুলছাঁটা কঠিন কাজ। সবাই তা পারে না। গোপাল এ কাজে বেশ দক্ষ। এজন্য বেশিরভাগ শিশুরা তার কাছে চুল কাটাতে আসে। শিশুদের অভিভাবকরাও তার ওপর আস্থাশীল।

স্থানীয়রা জানান, চুল কাটতে অন্তত ৪০-৫০ টাকা খরচ হয়। সেই হিসেবে গোপালদার এ উদ্যোগে এলাকার সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র শিশুদের জন্য কিছুটা হলেও উপকারে আসছে।

কয়েকজন জানান, প্রথম প্রথম গোপালের এ উদ্যোগকে নিছক পাগালামি ভেবেছিলাম। কিন্তু পরে বুঝতে পারি কোন একটা মহৎ উদ্দেশ্য এর মধ্যে আছে। তাই তার কর্মকান্ডে আমরাও আনন্দ পাচ্ছি।

এক শিশুর মা জানান, আমার ছেলে গতকাল সারাদিন অপেক্ষায় ছিল গোপালের হাতে চুল কাটবে বলে। কিন্তু সিরিয়াল পাচ্ছিল না। আজকে তার চুল ছাঁটা হয়েছে। তার এই উদ্যোগে আমরা খুশি।

স্থানীয় দোকানীরা জানান, গোপালদা কথা দিয়েছিলেন আর্জেন্টিনা ফাইনালে গেলে তিনি স্মরণীয় কিছু একটা করবেন। গত দু’দিন ধরে গোপালদার সেলুনে শিশুদের ভিড় লেগেই আছে। যেন চুল ছাঁটার উৎসব।